Monday, May 14, 2018

ল অফ এট্রাক্সন

স্বপ্ন দেখো ‌
  যে স্বপ্ন পূরণ করার দায়িত্ব তোমার মন নিয়েছে,
তাকে তোমার স্বপ্নের অর্থ বুঝতে সাহায্য করো।

ভরসা রাখো ,
     তুমি ঠগবে না !

বাবাই দাম
  

Sunday, May 13, 2018

নিখোঁজ

একটি ঘোষণা,
   আমার স্মৃতি গুলো হারিয়ে গেছে,
মনের গহনে কল্পনার শেষ স্টেশন
শৈশবের বিচ্ছিন্ন গলিতে।
যে তার সন্ধান দিতে পারবে
তার জন্য আমি রেখে যাবো
একটি কলম যার নাম সময়!
আর একটি সযত্নে রাখা নিল রঙের ডাইরি,
যার নাম জীবন ।

বাবাই দাম।

Saturday, May 5, 2018

উপলব্ধি

শব্দ গুলো যখন প্রতিবাদের রুপ নেয় ,
জেনে নিও ওর পেছনের কান্নারা নিজেদের প্রস্তুত করতে ততটাই সময় নিয়েছিল
যতটা সময় নিজের অস্তিত্ব মেটাতে লেগেছে।

বাবাই দাম

Tuesday, May 1, 2018

রুট বিষয়ক কিছু তথ্য

আমি অনেক সময় অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছি। তাই আজ এ নিয়ে লিখতে বসা।
শা করি আমি এবার পুরোটা লিখতে পারবো।
আমার ডিভাইস টি আসুস জেন ফোন জুল
এটি একটি এ আর এম ৬৪ বেইস ফোন।
রুট বা ওপেন গ্যাপস ডাউনলোড করতে এটা জানা প্রয়োজন।
বর্তমানে আমার ডিভাইসটি রুট করা আছে।
ভার্সন ৭.১ নোগাড।

Thursday, April 26, 2018

এবার আমার পালা

কলেজের প্রথম দিন প্রথম বর্ষ,অতি উৎসাহী ছেলেমেয়েরা কলেজে প্রবেশ করছে, কিন্তু 
প্রমাদ ওরা গুনেই রেখেছিলো যে রেগীং হবে,আর যথারীতি  তাই  শুরু হলো ! মানে  রেগীং। 
তৃতীয় বর্ষের ছাত্র : এই নাম বল... 
প্রথম বর্ষের ছাত্র : সহীস (নিজের চশমা ঠিক করতে করতে উত্তর দিলো ছাত্র...  ). 
তৃতীয় বর্ষের ছাত্র :পছন্দের পর্নস্টার এর নাম বল।
ছেলেমেয়েরা দেখছিলো... 
যে প্রশ্ন করছিল.. তার নাম পলাশ.. 
তৃতীয় বর্ষের সাইন্স এর ছাত্র... 
সাথে আরো  কিছু হোমরাচোমরা। 
সহীস চুপ করে আছে দেখে একটা টেনে চড় লাগলো.. 
সহীস তৈরি ছিলো না এর জন্য... 
ও প্রতিবাদ করতে চাইলো নিজের চশমা সামলে... 
কিন্তু পলাশের আশকারায় ৬ জন মিলে ওকে বেধড়ক মারলো... 
সহীস কাদলো...  
কিন্তু কিছু একটা প্রতিজ্ঞা করেছে মনে হলো ও খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটতে হাটতে সেখান থেকে চলে গেলো...  
যেতে যেতে সহীস সব রেগার সিনিয়রদের একবার  দেখে নিলো...  
আর মুখ থেকে রক্ত মুছতে মুছতে মৃদু হাসলো... 
আর পলাশ ওরা নিজেদের রেগীং কন্টিনিউ করলো... 
সহীস...  বাড়ি ফিরলো... 
একলা ঘর... 
আর কেউ নেই... 
এবার দরজা বন্ধ করে সহীস নিজের ড্রেসিং টেবিল এর কাছে এলো... 
ড্রয়ার থেকে পলাশ ও ওর গ্রুপের একটা ছবি বের করলো...  
সমস্ত ডিটেইলস সেখানে ছিলো... 
সহীস নিজের মাথায় হাত দিলো.. 
পরচুলা খুলে এলো...  
চশমা নামিয়ে নিলো... 
ম্যাক এর ল্যাপিটাতে  anonymous লোগো তে ক্লিক করলো..  
সমস্ত ডিটেইলস ঐ যনৈকো কলেজ যেখানে ও আজ সহীস সেজে পলাশ ওদের গ্রুপকে কাছে থেকে দেখতে গিয়েছিলো
 শেষ বারের মতন শিকারের আগে... 

সহীসরূপী বহূরূপী anonymous হেসে উঠলো অট্টহাসি... হাহাহা হাহাহা হাহাহা... 

পরের দিন সহীস আর এলো না...  
কিন্তু সবাই আশ্চর্য  হলো এটা শুনে  যে পলাশ এবং ওর পুরো গ্যাংকে কাল রাত থেকে পাওয়া যাচ্ছে না... 
দির্ঘ দশ দিন পরে সব কটা রেগীং গ্রুপের বাড়িতে একটা করে পার্সেল গেলো... 
যাতে লেখা ছিলো anonymous ragging reward.. 
,  একটা  চার বাই চার এর বাক্স... 

ভেতর থেকে বেরোলো ৩ টে জিনিষ.. 
১. টা সেই গ্যাং পারসন এর নাম.. 
২. ইস্ত্রী করা ওদের সেই পরিহীত খুলে নেয়া কাপর... 
৩.  একটি মানুষ মাংস পিন্ডে মিহিদানা আকৃতি করে ভরা.. 
লাশের ব্যাগ..... 

৭ জনই একই ভাবে মৃত... 
কেউ জানে না কী হয়েছিল... 
শুধু জানে সহীস আর আসবে না... 
তদন্ত চলছে.... 
রেগীং কে এবার রেগাররা ভয়  পাচ্ছে... 

আর দিল্লির কনো একটা কলেজে anonymous  প্রবেশ করছে.... 

রেগাররা প্রশ্ন করছে...नाम कया ह।।।।
 মনে মনে হেসে  ফোকলা দাঁতে anonymous 
উত্তর দিলো...  जी  रतन,,,,, 
*****************
আর আগে কি হবে পাঠকরা জানেন... 
Murder .  
Brutally murder... হাহাহা হাহাহা হাহাহা..... 


বাবাই দাম

ধ্বংসের ঠিক আগের মুহূর্ত

এই বছরের শুরুতে আমার মৃত্যু হয়েছে।
এখন আমি একজন কিংকর্তব্যবিমূঢ অশরিরী আত্মা।
আমি আত্মহত্যাই করেছি।
আমার মৃত্যুকালে আমার পাশে ছিলো শুধুই আমার মনের আত্মবিশ্বাস।
ভূলবশতঃ  তাকে তোমার দেয়া ফরমান দেখিয়েছিলাম,
জানতাম না তার মন আমার চাইতে ও বেশি দূর্বল ।
আমার  সামনেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরলো।

এরপর আমার পালা ছিলো।

আমি ও তোমার ঐ ফরমানে সাক্ষর রেখে চল্লাম  ।
       ও আমায় চিনতে পারো নি?
আমি তোমাদের রাজনৈতিক লাঞ্ছনায় 
লাঞ্ছিত তোমাদের প্রিয় মানবিক  চেতনা।

২০১৮ র শুরুতে আমি ও মৃত্যু বরণ করেছি ...

ভারতীয় যুবসমাজ  তোমাকে শুধু শেষ বারের মতো বলতে এলাম, 
তোমার দেয়া ফরমান আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি!
ভালো থেকো,
আজ থেকে আর কোনো বিবেক তোমায় দংশন করবে না ।
তুমি মুক্ত। সেলফি তোলো, ফেসবুক করো
লিগেলাইজেসন টার্মিনেট হয়ে গেছে।
যৌবন উপভোগ করো।

বাবাই দাম (অপ্রকাশিত) 
ইতি-

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

এতো বছর পর আবারো ভাবছি,
ওর বা ওদের মনের আর্দ্রতা নিয়ে খেলবো!
কারণ কথিত আছে, ও বা ওরা  আজও নাকি
নো মার্সি রুলেই বিশ্বাসী ॥

বাবাই দাম

সেই আগের মতো

কি রেখেছে তোর ঐ ভালবাসায় ... 
শুধুই নিরাপত্তা শঙ্কট
  কেনো ভালবাসায় প্রেমিক প্রেমিকা হতে হবে ...।
কেনো বন্ধু হয়ে থাকতে পারবি না সারা জীবন ...
  আখেরে তো ঐ বন্ধুত্তের জন্যই
খুঁজে নিবি অন্য় কারো  সান্নিধ্য 
   তো জটিল বন্ধনে আবদ্ধ হওার আগে আবার ও একবার আয় না
শেষ চেষ্টা করি  
সব ভুলে আগের মত বন্ধু হয়ে 
    আমরা ও নতুন দৃষ্টান্ত রেখে যাই 
এই ভুও সমাজের কাছে !

বাবাই দাম

.... আমার জীবনের ডাইরি থেকে....

ভালোবাসার সাতকাহন নতুন বুঝতে শিখছি তখন,
তার আগে পাত্তা দিইনি ভালোবাসাকে!কারো প্রতি কিউরিওসিটি কেই ভালোবাসা ভাবতাম,
সেই ভালোবাসা!কলেজ লাইফেই আমার জীবন বদলে দেয়৷মানে ঐ কিউরিওসিটি, কোনো এক বিশেষ কে, (মানে আমার নজরে যে আজও বিশেষ) প্রপোজ করেছিলাম তাকে ভাঙা ইংগিতে..
কলেজ গার্লস কমন রুম এর সামনে, ঐ যে বলে না !নীল নির্জনে?বাট্ আমার ক্ষেত্রে, তা ছিলো,
নির্জন গার্লস কমন রুমের সামনে!শুনে হেসেছিলো সে শেষ বারের মতন, কিন্তু আর কিছুই বললো না!
শুধু খালি কমন রুমে ঢুকে গেলো! তারপর?
তারপর আর কি? গার্লস কমন রুম থেকে সে যখন বেরিয়ে এলো, আমি তখনওর নজরে একজন অচেনা ব্যক্তি! যা কে ও আর কোনো দিনই জানতে চাইবে না!একা কমন রুমে যে এমন কি যাদু ছিলো,
তা আজও বুঝে উঠতে পারিনি!যাই হোক সেইএকটা কিউরিওসিটি, আমার মন নষ্ট করে দেয়৷আমি আজও জানতে চাই, সেই একলা গার্লস কমন রুমে এমন কি ছিলো!! যাই হোক আমার জীবন বদলে গেলো চিরকালের জন্য!তখন জেদী ছিলাম, তাই রাগটা ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেখালাম!
মানে এক্সাম হলে কিছু না লিখে খালি প্যাপার জমা দিলাম, তখন জানতাম না এটা আমার জীবনের কাল হয়ে দাঁড়াবে, বছরের পর বছর ঘুরলো, আজও আমি সাক্সেসফুল নই, তবে খেয়ে বেঁচে আছি, মাঝে, ফেইসবুক এ পাই ওকে! রিকুয়েস্ট ও পাঠাই, এক্সেপ্ট ও করে ও, এটা সেটা বলার পর যেই প্রশ্নটা টানলাম;
"সেইদিন গার্লস কমন রুম থেকে বেরিয়ে আসার আগে কি ভেবেছিলি"!! ব্যস আর উত্তর আসে নি
ইভেন আজও উত্তর পাইনি!ব্লকই করে দিলো! তখন আফসোস হয়েছিল, তবে আজ বিষয়টা বুঝে খুশি হই! কারণ এটা একটা সাইকোলজীক্যাল এ্যক্ট! যখন তুমি কাউকে ভুলতে পারো না, তখনই তুমি তার স্মৃতিগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা করো!সেটাও আমার সেই বিশেষ এর ক্ষেত্রেও হয়েছে, সে আমার স্মৃতি মেটাতে চায়, তাই এই ছেলেমানুষি৷যাই হোক, কথাগুলো বলতে পেরে মনটা অনেক হালকা হয়েছে !ইতিমধ্যে একপ্রস্থ তথাকথিত ভালোবাসার খেলা কিন্তু হয়ে গেছে অন্য কারো সংগে !তবে আজ সে আমার বন্ধু..
কারণ সেই বিশেষ এর জায়গাটা, আর কাউকেই আমি দিতে পারিনি;
আজ আমি একটা মলে সাধারণ সেলস্ ম্যান,
আমি প্রতিদিন কাজে যাই, নিজেকে খুঁজে বেড়াই!
আর যে চেহারা ১১ বছর ধরে একই রয়ে গেছে আমার মনের মধ্যে আজও ভীড়ের মধ্যে সেই চেহারাটা খুঁজে বেড়াই!জানি হয়তো পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাবে কোনো দামী গাড়ি করে,
জানি, বিয়ে হয়ে গেছে ওর !তবুও মন বেচেঁ আছে তার দেয়া শেষ স্মৃতিগুলোকে আকরে ধরে.
পাঠকদের মনে আসতেই পারে, কে আমার সেই বিশেষ ব্যক্তিটি? তো উত্তরে আমি বলবো
নামটা না হয় না ই লিখলাম!ভালোবাসা কে বদনাম করা আমার উদ্দেশ্য নয়, শুধুমাত্র ভালোবাসার মানেটা আমিও বুঝতে শিখেছি, সেটা ওকে জানাতে চাই!জানি সে ফিরবে না, তবুও অপেক্ষার নামই তো ভালোবাসা! কি, তাই না..?


বাবাই দাম

ঘণ্টা

 

আমি দিন আনি দিন খাই ...

   লেখক বা কবি হিসেবে এটাই আমার পরিচয় ...
শুধু লেখাগুলো হয়েছে অবাধ্য নাছরবাঁধা শিশুর মতো ।

 তাই এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত  ছুটে বেড়ায় নামের আশায় ।

    তাকে সত্যি বোঝাতে কে এগিয়ে আসবে ?

   আর জানাবে ,

প্রতিভারা আজ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ক্ষমতালোভী ভোগীদের কাঠগড়ায় ...।



বাবাই দাম 

Unleash Your Creativity with a Touch of India: Futuristic Artistic Indian Solutions

Unlock Your Future with Futuristic Artistic Indian Solutions! * Calling all creative minds and ambitious entrepreneurs! 🇮🇳 Are you search...