আজ একটা বহুল প্রচলিত বিষয়ে লিখছি।
হঠাৎ ই মনে হলো এই বিষয়ে লিখা উচিৎ..।
গল্প না ও হতে পারে..
মিসআন্ডারস্টেন্ডিং....
ছেলেটা মেয়েটাতে ভিষন ভাব ..
একজন আরেকজনকে ভিষন পছন্দ করে ...
কিন্তু এই পছন্দই একটা সময় এমন হয় যে একজন আরেকজনের থেকে অনেকটা দূরে চলে যায়।
আসলে কি হয়েছিলো বিষয়টা ?
ছেলেটা : ও শুধু আমার , ওর সমস্ত কিছুতে আমার অধিকার।
মেয়েটা : ছেলেটা ভালো অন্যগুলোর মতো ফ্রড না হলেই হলো।
ছেলেটা : আমি ওকে এতো ভালোবাসবো যে ও অন্য কারো কথা ভুলে যাবে।
মেয়েটা: একটু বেশিই কোজী হচ্ছিলো মনে হচ্ছে , আই থিঙ্ক একটু স্পেস এর প্রয়োজন..।
ছেলেটা : আমাকে একটু সংযত হতে হবে আমি বেশী চেপ হয়ে যাচ্ছি..।
মেয়েটা : আজ খুব জেন্টাল লাগছে ওকে কোথাও টাইম স্পেন্ড করে আসি, বাট একি ও পাত্তা দিচ্ছে না কেনো ?
আমি এমন কি করলাম ? চলো হয়তো ওর মুড খারাপ , আর সবার একটা পার্সনাল স্পেস থাকে । লেট ইট বি।
ছেলেটা : ও কাল আমার পাশে ছিলো কিন্তু কারো অন্যের বিষয়ে ভাবছিলো । তাই আমার সাথে কথাই বল্লো না।
ঢের হয়েছে আমার প্রেস্টিজ আছে। আজ আমি যাবো না।..
মেয়েটা : আজ ও এলো না নিশ্চই কোন বড় সমস্যায় আছে কল করে দেখি।
ছেলেটা : (অভিমান করে ) মেয়েটার ফোন চার বার রিঙ হওয়ার পর কেটে দিলো। অভিমানী ছেলে।
মেয়েটা( সক্ ড) আরেকবার ফোন করে সারা না পেয়ে ফোন টা কেটে বান্ধবীকে ফোন করলো।
ছেলেটা : এতক্ষণে অভিমান ভেঙ্গে কল করলো মেয়েটাকে..., আশ্চর্য মেয়েটার ফোন বিজী! একবার দুই বার চারবার কল করলো কিন্তু লাইন এঙ্গেজ্ড । এবার আকথা কুকথা মাথায় ঘুরপাক করলো ছেলেটার, ওর মনে হতে লাগলো মেয়েটা তাকে ইউজ করছে..। ছেলেটার রাগ সপ্তম ছুঁই ছুঁই।
মেয়েটা : বান্ধবীর সাথে পুরোনো কথাগুলো বলতে বলতে খেয়ালই নেই যে কখন এক ঘন্টা পার হয়ে গেছে। আর আরেকটা বিরম্বনা এই ছিলো মেয়েটার ফোনে কল ওয়েটিং চালু ছিলো না , তবে হা মিসকল এলার্ট ছিলো। বান্ধবীর ফোন রাখতেই ম্যাসেজ এ ছেলেটার কল এলার্ট ভেষে এলো। মেয়ে টা ভাবলো বড় জেদ না এবার আমিও অভিমান দেখাবো আমি কল করবো না। এই কপট অভিমানটাই কাল হলো।
রাতে ম্যাসেজে ছেলেটা অনেকটা আকথা কুকথা বল্লো মেয়েটাকে, যা মেয়েটা স্বপ্নেও ভাবতে পারে নি। জেদের বসে মেয়েটা এবার ছেলেটাকে কল করলো এবং তারপর সব সঙ্খীপ্ত । কেউই সাফাই দিতে রাজী নয় !
ছেলেটা : তোমরা মেয়েরা এমন ই হও ফিলিংস নিয়ে খেলো।
মেয়েটা: আমি তোমার মুখোদর্শন করতে চাই না। আরো অনেক কথা ..
ফলাফল ব্রেকআপ।
আজ বহু বছর কেটে গেছে ...
ছেলেটা :একটা মাল্টিন্যাসানাল কোম্পানীতে কাজ করে , মেয়েদের আজও বিশ্বাস করে না ওর প্রথম প্রেমে ধোকা ওর জীবনে ওকে কঠিন করে তোলে ।
আর মেয়েটা :?
আজ খুব সুখে আছে একজন বিত্তশালী পুরুষের স্ত্রী সে।
তবে মাঝে মাঝে ছেলেটার কথা মনে করে কষ্ট পায়, কারণ সে আজ বুঝতে পারে ছেলেটা নিত্তান্তই ছেলে মানুষ ছিলো ।
একদিন ঘটনাক্রমে ছেলেটা আর মেয়েটার আবার দেখা হয় , আর তারপর নতুন কাহিনী।
এবার আমার কথা:- আমি মানে বাবাই দাম, আমি আজ পর্যন্ত এমন কোন মেয়ে দেখলাম না যে ম্যান্টালি উইক কিন্তু সাইকোলজিক্যালি স্ট্রং। আর এমন কোন ছেলে পেলাম না যারা সাইকোলজিক্যালি উইক.. আর ম্যান্টলিটা ভাইস ভার্সা ধরে নাও। নারী পুরুষেরই সংসার । তাই এডজাসম্যান্ট মাস্ট। নয়তো
এই দন্দ চলবে চিরকাল ,কেউ সাইকোলজিক্যালি সুখি নয় , আর ম্যান্টলিটা ঐ যে বল্লাম না ভাইস ভার্সা, তাই পাঠকেরা রিলেসনসিপ চ্যাপ্টারটা একটু বুঝে ।
আজ রাখছি ।
বাবাই দাম-
